‘বিশ্ববাজারেও উন্মুক্ত হোক অনলাইন ব্যবসা’
২০২৭ সালের মধ্যে আন্তঃসীমান্ত বাণিজ্যের মোট আয়তন হবে ১.৫ ট্রিলিয়ন ডলার হবে। এখন আছে ১.১। এই বাজার হবে মোট বাজারের ২৫ শতাংশ। এখন আছে ১৯ শতাংশ। ফলে এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ক্রস বর্ডার ই-কমার্স সুবিধা পারে নারী উদ্যোক্তাদের বিশ্ব বাজারে পৌঁছে দিতে।
শুক্রবার উই সম্মেলনে ‘বর্ডারলেস বিজনেস : স্ট্রাটেজিস ফর ক্রস-বর্ডার ই-কমার্স, লজিস্টিকস অ্যান্ড এক্সপোর্টিং’ প্যানেল আলোচনায় এমন দাবি করেন বিশেষজ্ঞরা। উই-এর উপদেষ্টা জাহনুর কবির সাকিবের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইপিবি'র মহাপরিচালক মাহবুবুর রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন আইস্যোসাল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনন্য রায়হান, দারাজ বাংলাদেশের চিফ করপোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার এএইচএম হাসিনুল কুদ্দুস রুশো এবং মার্কিন দূতাবাসের অর্থনৈতিক কর্মকর্তা জেমস গর্ডেনার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাহবুবুর রহমান বলেন, অনলাইন ব্যবসায় শুরু হওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজার সকলের জন্যই উন্মুক্ত হয়ে গেছে। আমাদের জন্যও ব্যবসায়ের একটি অবারিত দুয়ার খুলে গেছে। এর ফলে নারীর ক্ষমতায়নের পথও প্রশস্ত হয়েছে। এখন ঘরে বসেই হাতে তৈরি পণ্য বিভিন্ন ধরনের ই-কমার্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে আমেরিকায় বিক্রি করা যাচ্ছে। আবার ইউরোপ বা যুক্তরাজ্যের প্রবাসীরা স্থানীয় অনলাইন থেকে আত্মীয়-স্বজনদের জন্য পণ্য কিনে দিতে পারছেন। এটা আমাদের জন্য একটি বড় সুযোগ। তাই এখনই আমাদেরকে ক্রস বর্ডার ই-কমার্স বিষয়ে শেখার বিষয়ে মনযোগী হতে হবে। কেননা বিশ্ববাজার সেদিকেই যাচ্ছে।
ই-কমার্সে নারীদের উন্নয়নে জন্য ই-ক্যাবের পাশাপাশি উই-এর উচিত এই সেক্টর নিয়ে কাজ করা। এতে করে নারীদের পণ্যে সহজেই বিশ্বের কাছে তুলে ধরা সম্ভব বলে মনে করেন আইস্যোসাল এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা অনন্য রায়হান।
ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তারা যেন অনলাইনে তাদের পণ্য বিপণন করতে পারেন সেজন্য সহজ ও নিরাপদ পরিবহন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা ও ওয়্যার হাউস সাপোর্টের পাশাপাশি পলিসি এবং পেমেন্টের সহজীকরণই পারে ক্রস-বর্ডার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে, এমনটাই মনে করেন প্যানেল বক্তারা।







